Home আল কোরআন সুরা-বাকারাহ্ বাংলা অর্থ (আয়াত ১৯০-২০০)

সুরা-বাকারাহ্ বাংলা অর্থ (আয়াত ১৯০-২০০)

-

সুরা-বাকারাহ্ এর বাংলা
আয়াত-২৮৬

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ
শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়াল

وَقَاتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ الَّذِينَ يُقَاتِلُونَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ

(১৯০) আর তোমরা আল্লাহর পথে যুদ্ধ কর তাহাদের সঙ্গে, যাহারা (চুক্তি ভঙ্গ করিয়া) তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হয় এবং সীমা লঙ্ঘন করিও না। নিশ্চয়, আল্লাহ্ সীমা লঙ্ঘনকারীদিগকে পছন্দ করেন না।

وَاقْتُلُوهُمْ حَيْثُ ثَقِفْتُمُوهُمْ وَأَخْرِجُوهُم مِّنْ حَيْثُ أَخْرَجُوكُمْ ۚ وَالْفِتْنَةُ أَشَدُّ مِنَ الْقَتْلِ ۚ وَلَا تُقَاتِلُوهُمْ عِندَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ حَتَّىٰ يُقَاتِلُوكُمْ فِيهِ ۖ فَإِن قَاتَلُوكُمْ فَاقْتُلُوهُمْ ۗ كَذَ‌ٰلِكَ جَزَاءُ الْكَافِرِينَ

(১৯১) আর তাহাদেরকে হত্যা কর–যেখানে পাও। অথবা তাহাদিগকে বহিস্কৃত কর যে স্থান হইতে তাহারা তোমাদিগকে বাহির হইয়া যাইতে বাধ্য করিয়াছিল। আর দুষ্কৃতি হত্যা অপেক্ষাও গুরুতর। এবং তাহাদের সঙ্গে মসজিদে হারামের নিকট যুদ্ধ করিও না, যে-পর্যন্ত না তাহারা তথায় তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হয়, যদি তাহারাই তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করিতে অগ্রসর হয়, তবে তোমরাও তাহাদিগকে হত্যা কর। এই প্রকৃতির কাফেরদের এরূপ শাস্তি।

فَإِنِ انتَهَوْا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

(১৯২) অতঃপর যদি তাহারা বিরত থাকে, (এবং ইসলাম গ্রহণ করে) তবে আল্লাহ্ ক্ষমা করিবেন, অনুগ্রহ করিবেন।

وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّىٰ لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ الدِّينُ لِلَّهِ ۖ فَإِنِ انتَهَوْا فَلَا عُدْوَانَ إِلَّا عَلَى الظَّالِمِينَ

(১৯৩) এবং তাহাদের সঙ্গে ঐ-পর্যন্ত যুদ্ধ কর যে-পর্যন্ত না তাহাদের ভ্রান্ত-বিশ্বাসের অবসান হয় এবং (তাহাদের) ধর্ম (খাঁটীভাবে) আল্লাহরই হইয়া যায়। অতঃপর যদি তাহারা বিরত হয়, তবে কাহারও প্রতি কঠোরতা করা হয় না অনাচারীদের ব্যতীত।

الشَّهْرُ الْحَرَامُ بِالشَّهْرِ الْحَرَامِ وَالْحُرُمَاتُ قِصَاصٌ ۚ فَمَنِ اعْتَدَىٰ عَلَيْكُمْ فَاعْتَدُوا عَلَيْهِ بِمِثْلِ مَا اعْتَدَىٰ عَلَيْكُمْ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ مَعَ الْمُتَّقِينَ

(১৯৪) সম্মানিত মাস সম্মানিত মাসের বিনিময়ে। আর এই সমস্ত সম্মান তো পারস্পরিক বিনিময়ের বস্তু। সুতরাং যে-ব্যক্তি তোমাদের উপর উৎপীড়ন করে, তোমরাও তাহার প্রতি উৎপীড়ন করিবে, যেরূপ সে তোমাদের প্রতি উৎপীড়ন করিয়াছে। আর আল্লাহ্কে ভয় করিতে থাক এবং বিশ্বাস রাখ যে, আল্লাহ্ খোদাভীরুদের সঙ্গে থাকেন।

শানে নুযুল:

১। হিজরী ষষ্ঠ সালে হুযুর (দঃ) ছাহাবাগণ সহ ওমরার উদ্দেশ্যে মক্কায় রওয়ানা হইলেন। কিন্তু কাফেররা হুযুরকে মক্কা প্রবেশে বাধা দিল। পরিশেষে স্থিরিকৃত হইল যে, পরবর্তী বৎসর তিন দিনের জন্য মক্কাকে হুযুরের জন্য মুক্ত করিয়া দিবে। পরবর্তী বৎসর যিল্কা’দ মাসে হুযুর সদলবলে মক্কা রওয়ানা হইলেন। যিল্কা’দ, যিলহাজ্জ মোহররম ও রজব এই চারি মাস সম্মানিত মাস। এই মাস গুলিতে যুদ্ধ করা হারাম। কাজেই মুসলমানরা ইতস্ততঃ করিতে লাগিল যদি কাফেররা ওয়াদা ভঙ্গ করিয়া যুদ্ধে প্রবৃত্ত হয়, তবে আমরা আত্মরক্ষা করিব কিরূপে? তখন আল্লাহ্ এই আয়াত নাযিল করেন। (বঃকোঃ)
মাস্আলাঃ সমগ্র জাযিরাতুল আরবে কাফেরদের আবাস নির্মাণের অনুমতি নাই, যদি তাহারা বলপূর্বক হরম শরীফের সীমার বাহিরে আবাস নির্মাণ করিতে চায়, তবে যুুদ্ধ করিয়া তাড়াইয়া দেওয়া জায়েয। (বঃকোঃ)

وَأَنفِقُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَلَا تُلْقُوا بِأَيْدِيكُمْ إِلَى التَّهْلُكَةِ ۛ وَأَحْسِنُوا ۛ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ

(১৯৫) আর তোমরা (জানের সঙ্গে মালও) ব্যয় কর আল্লাহর পথে, এবং (এই উভয় কাজ ত্যাগ করিয়া) নিজেদিগকে নিজেরা ধ্বংসের পথে নিক্ষেপ করিও না। আর কাজ উত্তমরূপে সম্পন্ন কর। নিশ্চয়, আল্লাহ্ ভালবাসেন উত্তমরূপে কাজ সম্পাদনকারীদিগকে।

وَأَتِمُّوا الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ لِلَّهِ ۚ فَإِنْ أُحْصِرْتُمْ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ ۖ وَلَا تَحْلِقُوا رُءُوسَكُمْ حَتَّىٰ يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ ۚ فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ بِهِ أَذًى مِّن رَّأْسِهِ فَفِدْيَةٌ مِّن صِيَامٍ أَوْ صَدَقَةٍ أَوْ نُسُكٍ ۚ فَإِذَا أَمِنتُمْ فَمَن تَمَتَّعَ بِالْعُمْرَةِ إِلَى الْحَجِّ فَمَا اسْتَيْسَرَ مِنَ الْهَدْيِ ۚ فَمَن لَّمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ فِي الْحَجِّ وَسَبْعَةٍ إِذَا رَجَعْتُمْ ۗ تِلْكَ عَشَرَةٌ كَامِلَةٌ ۗ ذَ‌ٰلِكَ لِمَن لَّمْ يَكُنْ أَهْلُهُ حَاضِرِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ

(১৯৬) আর হজ্জ ও ওমরা আল্লাহর উদ্দেশ্য পূর্ণরূপে পালন কর। অতঃপর যদি (শত্রু-ভীতি বা অসুস্থতাহেতু) তোমরা বাধাপ্রাপ্ত হও, তবে কোরবানীর জীব যাহা সহজসাধ্য হয়, (যথারীতি যবাহ করিবে)। এবং স্বীয় মস্তক মুন্তুন করিও না যে পর্যন্ত না পৌঁছিয়া যায় কোরবানীর জীব উহার যবাহর স্থানে। অবশ্য যদি তোমাদের মধ্যে কেহ অসুস্থ হয়, অথবা তাহার মাথায় তক্লীফ থাকে, তবে ফিদ্য়া দিবে রোযা অথবা ছদকা অথবা যবাহ্ দ্বারা। তারপর যখন তোমরা নিরাপদে থাক, তখন যে-ব্যক্তি ওমরাকে হজ্জের সহিত একত্রিত করিয়া লাভবান হয়, তবে কোরবানীর যে জীব সহজলভ্য হয় (যবাহ্ করিবে)। অনন্তর যাহার জন্য কোরবানীর জীব সহজলভ্য না হয়, তবে সে) রোযা রাখিবে তিন দিন হজ্জের সময়, আর সাত দিন (রোযা রাখিবে) যখন হজ্জ হইতে তোমাদের প্রত্যাবর্তনের সময় আসিবে। এই দশ পূর্ণ হইল। ইহা ঐ ব্যক্তির জন্য যাহার পরিজনবর্গ মসজিদে হারামের নিকটে অবস্থান না করে। আর আল্লাহ্কে ভয় কারতে থাক এবং জানিয়া রাখ যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ কঠোর শাস্তি প্রদান করেন।

শানে নুযুল:

১। এই আয়াত হইতে গৃহীত কতিপয় মাস্আলাঃ
(ক) সক্ষম ব্যক্তির উপর হজ্জ করা ফরয, অক্ষম ব্যক্তির প্রতিও এহরাম বাঁধিলে পূর্ণ করা ফরয হয়।
(খ) হজ্জ বা ওমরার এহরাম বাঁধিয়া যেকোন কারণে বাধাপ্রাপ্ত হইলে একটি কোরবানীর জন্তু হরম শরীফে কোরবানীর জন্য পাঠাইবে। অতপরঃ যখন ধারনা হয় কোরবানী হইয়া গিয়াছে, তখন মাথা মুড়াইয়া এহরাম খুলিবে। পরে সুযোগ মতে উহার কাযা করিবে।
(গ) স্ত্রীলোকের মাথা মুড়ান হারাম। তাহারা শুধু এক অঙ্গুলি চুল কাটিবে।
(ঘ) হজ্জ বা ওমরাহ পূর্ণ করার পূর্বে যদি রোগের বা উকুনের কারনে মাথা মুড়াইতে হয়, তবে মুড়ানের পর তিনটি রোযা রাখিবে বা ছয়জন দরিদ্রকে ছয় ফেৎরা পরিমান দান করিবে, অথবা একটি বকরী কোরবানী করিয়া দরিদ্রের মধ্যে বন্টন করিবে।

الْحَجُّ أَشْهُرٌ مَّعْلُومَاتٌ ۚ فَمَن فَرَضَ فِيهِنَّ الْحَجَّ فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِي الْحَجِّ ۗ وَمَا تَفْعَلُوا مِنْ خَيْرٍ يَعْلَمْهُ اللَّهُ ۗ وَتَزَوَّدُوا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَىٰ ۚ وَاتَّقُونِ يَا أُولِي الْأَلْبَابِ

(১৯৭) হজ্জের মাসগুলি সুবিদিত। অতএব, যে ব্যক্তি এই মাসগুলির মধ্যে হজ্জ করা স্থির করিয়া লয়; অতঃপর হজ্জে না অশ্লীলতা আছে এবং না অসত কাজ এবং না ঝগড়া-বিবাদ। আর তোমরা যে নেককাজ করিবে আল্লাহ্ তাহা অবগত হন। আর পাথেয় অবশ্যই সঙ্গে লইও। কেননা, পাথেয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় কথা (ভিক্ষাবৃত্তি) বাঁচিয়া থাকা। আর হে জ্ঞানীগণ! আমাকে ভয় করিতে থাক।

لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَن تَبْتَغُوا فَضْلًا مِّن رَّبِّكُمْ ۚ فَإِذَا أَفَضْتُم مِّنْ عَرَفَاتٍ فَاذْكُرُوا اللَّهَ عِندَ الْمَشْعَرِ الْحَرَامِ ۖ وَاذْكُرُوهُ كَمَا هَدَاكُمْ وَإِن كُنتُم مِّن قَبْلِهِ لَمِنَ الضَّالِّينَ

(১৯৮) ইহাতেও তোমাদের কোন গুনাহ্ নাই যে, জীবিকা অন্বেষণ কর, যাহা তোমাদের প্রভু প্রদত্ত। অতঃপর তোমরা আরাফাত হতে প্রত্যাবর্তনকালে মাশ্আরে হারামের নিকট (মুযদালেফায়) আল্লাহর যিকর কর এবং (তদ্রুপ) যিকর কর যেরূপ তোমাদিগকে নির্দেশ দিয়াছেন। আর প্রকৃতপক্ষে ইহার পূর্বে তোমরা নিরেট অজ্ঞ ছিলে।

ثُمَّ أَفِيضُوا مِنْ حَيْثُ أَفَاضَ النَّاسُ وَاسْتَغْفِرُوا اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

(১৯৯) অতঃপর তোমরা অবশ্যই ঐ স্থান হইয়া প্রত্যাবর্তন কর, যেখান হইতে অন্যান্য লোক যাইয়া প্রত্যাবর্তন করে। এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই, আল্লাহ্ তা‘আলা ক্ষমা করিবেন, অনুগ্রহ করিবেন।

فَإِذَا قَضَيْتُم مَّنَاسِكَكُمْ فَاذْكُرُوا اللَّهَ كَذِكْرِكُمْ آبَاءَكُمْ أَوْ أَشَدَّ ذِكْرًا ۗ فَمِنَ النَّاسِ مَن يَقُولُ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا وَمَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ مِنْ خَلَاقٍ

(২০০) অনন্তর যখন তোমরা হজ্জের যাবতীয় কাজ পূর্ণ কর তখন আল্লাহ্কে স্মরণ কর, যে ভাবে তোমরা নিজেদের পূর্ব-পুরুষদিগকে স্মরণ করিয়া থাক;বরং আল্লাহর স্মরণ তদপেক্ষা অধিক হওয়া উচিত। সুতরাং কেহ কেহ এরূপ আছে যাহারা বলে, হে আমাদের প্রভু! আমাদিগকে (যাহাকিছু দিবার) ইহলোকেই প্রদান করুন। আর এরূপ লোক পরলোকে কোন অংশ পাইবে না।

শানে নুযুল:

১। (ক) শাওয়াল মাসের ১ম তারিখ হইতে যিলহজ্জের দশ তারিখ পর্যন্ত হজ্জের মাস। শাওয়ালের পূর্বে হজ্জের এহরাম বাঁধা মাকরূহ। হজ্জের সর্বশেষ ক্রিয়া ‘তওয়াফে যিয়ারত’ যাহা যিল হজ্জের ১০ম তারিখে সমাধা করিতে হয়।
২। তাওয়াক্কুলবিহীন লোক পাথেয় ছাড়া হজ্জে রওয়ানা করিলে সহযাত্রীকে ব্যতিব্যস্ত করিয়া তুলিতে পারে, অতএব, এরূপ ব্যক্তির জন্য পাথেয় ব্যতীত হজ্জে যাওয়া নিষিদ্ধ।
৩। ইসলাম পূর্ব যুগে হজ্জের মৌসুমে বাণিজ্য প্রথা প্রচলিত ছিল। ইসলামের পর অনেকেই ইহাতে পাপের সম্ভাবনা মনে করিল। তাই এখানে বলিয়া দেওয়া হইয়াছে যে, ইহাতে পাপ নাই তবে হজ্জের উদ্দেশ্যে মুখ্য হওয়া আবশ্যক অন্যথায় হজ্জের সওয়াব কম হইবে।
৪। বর্বর যুগের কোরেশরা মনে করিত, তাহারা হরম শরীফের প্রতিবেশী এবং মুযদালেফা হরমের অন্তর্ভক্ত সুতরাং তাহারা হরমের বহির্ভূত আরাফাতে না যাইয়া মুযদালেফাতেই থামিত এবং তথা হইতে প্রত্যাবর্তন করিত, তাই আল্লাহ্ তা‘আলা এই আদেশ করিয়াছেন। (বঃকোঃ)

সূরা ফাতিহা পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ০১ হতে ৪৮ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ৪৯ হতে ৭১ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ৭২ হতে ৮৯ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ৯০ হতে ১০২ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ১০৩ হতে ১১৩ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ১১৪ হতে ১২৬ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ১২৭ হতে ১৩৬ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ১৩৭ হতে ১৪৮ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ১৪৯ হতে ১৬৪ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ১৬৫ হতে ১৭৯ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
সুরা-বাকারাহ্ এর আয়াত ১৮০ হতে ১৮৯ পর্যন্ত বাংলা অর্থ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

আল কোরআন

সুরা-বাকারাহ্ বাংলা অর্থ (আয়াত ২১২-২২৮)

সুরা-বাকারাহ্ এর বাংলা আয়াত-২৮৬ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়াল زُيِّنَ لِلَّذِينَ كَفَرُوا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا وَيَسْخَرُونَ مِنَ الَّذِينَ آمَنُوا ۘ وَالَّذِينَ...

আমাদের সংগে থাকুন

676FansLike